Header Ads

Header ADS

বীমা কি? বীমার ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয়তা।

 

What is Insurance? Explanation and Requirements of Insurance.



সম্পত্তি ক্ষতিপূরণের সর্বাধুনিক ব্যবস্থার নামই হচ্ছে বীমা। অর্থাৎ বীমাকারী বীমা গ্রহীতাকে তার সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে এনসিওর (Ensure) বা নিশ্চিত করে। মোট কথা সম্পত্তির যথাযথ ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার নামই হচ্ছে বীমা। যারা এ সব ঝুঁকির নিরাপত্তা বিধান করেন তাদেরকে বীমাকারী, আর যারা এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাদেরকে বলা হয় বীমা গ্রহীতা। অর্থাৎ প্রিমিয়াম গ্রহনের পরিবর্তে এক পক্ষের জন্য অন্য পক্ষের ঝুঁকি গ্রহনের অঙ্গীকার করাই হচ্ছে বীমা।

👉পূর্বেই আলোচিত হয়েছে যে, কোন নির্দিষ্ট ঘটনা সংঘটিত হলে এবং ঐ ঘটনা ঘটার ফলে বীমা গ্রহীতার কোন আর্থিক ক্ষতি হলে, নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ বা ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্তে বীমাকারী ও বীমাগ্রহীতার মধ্যে যে চুক্তি সম্পাদিত হয়, তাকে বীমা চুক্তি বলে। কোন ব্যক্তি চলার পথে, ব্যবসায়িক কাজে, শিল্প-প্রতিষ্ঠানে কল-কারখানায় যে কোন সময় যে কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সারা বিশ্বে অগনিত দুর্ঘটনার দরুন ব্যাপক ক্ষতির কথা শোনা যায় বা টেলিভিশন পর্দায় দেখা যায়। আর প্রতি নিয়তই আমরা বিভিন্ন টেলিভিশনে চ্যানেলে দেখি, রাস্তা ঘাটে, পথে প্রান্তরে, আকাশ পথে, পানি পথে দুর্ঘটনার ফলে হয় ব্যপক যান মালের ক্ষতি। কিন্তু কেউ পূর্বথেকে বলতে পারে না বা অনুমান করতে পারে না যে, কোথায় ঘটবে কোন দুর্ঘটনা। ঠিক একই ভাবে প্রাণপণ চেষ্টা করে তার সম্পত্তি টুকুও সঠিক ভাবে গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করে। তদুপরিও দুর্ঘটনার হাত থেকে কেউ বাঁচতে পারে না, এ দুর্ঘটনা আমাদের পায়ে-পায়ে ঘুরে। কোন যান মালের ক্ষতি হলে কারো না কারো অবশ্যই ক্ষতি হবে। তবে সেই ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ বীমা করে। এবং বীমা করার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অথবা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির যতটুকু ক্ষতি হয় ততটুকুই ক্ষতিপ‚রণ দেয়া হয়, ক্ষতির পরিমানের বেশিও দেয়া হয়না আবার কমও দেয়া হয় না No More No Less)।

👉মানুষের জীবন ও তাদের সহায় সম্পদ সব সময়ই কোন না কোন বিপদ বা দুর্ঘটনা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সভ্যতার উষালগ্ন থেকে বর্তমান সভ্যতার চরম বিকাশ অবধি এমন কোন পন্থা বা উপায় উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি, যা উক্ত দুর্ঘটনা বা বিপদ নিশ্চিতভাবে এড়াতে পারে অথবা উক্ত বিপদ হতে মানুষের জীবন ও সহায় সম্পদ সম্পূর্নভাবে রক্ষা করতে পারে। কারণ মানুষের জীবনে মৃত্যু অনিবার্য ও অবশ্যম্ভাবী। আগুন লাগলে, ঝড়-তুফান হলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সম্পদের কিছু না কিছু ক্ষতি হবে এ ক্ষেত্রে কোন ব্যতিক্রম নেই।

👉 এরুপ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীগণ, ক্ষতিগ্রস্থ সম্প্রদায় ও সমাজ বিশেষজ্ঞগণ এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যাকে রোধ করা যায় না বা ঠেকানো যায় না, তার সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করবার প্রয়োজন নেই। এই অপ্রতিরোধ্য শক্তি বা বিপদ দ্বারা ক্ষতি হলে উক্ত ক্ষতির পরিমান যাতে কম হয়, তার ব্যবস্থা করা, এটাকে Risk Management বলা হয়। বীমার বিষয়বস্তুর কোন ক্ষতি হলে উক্ত ক্ষতি কী ভাবে পূরণ করা যায়, তার ব্যবস্থা করাই শ্রেয়। যদিও প্রবাদ আছে “Prevention is better than cure” কিন্তু যে ক্ষেত্রে ‘Prevent’ করার কোন সুযোগ থাকে না, তখন সেখানে রোগমুক্ত করার চেষ্টা করাই শ্রেই।

👉এই ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়, ব্যবসায়ীগণ বা সমাজবিশেজ্ঞগণের উক্ত ‘Cure’ এর চিন্তাভাবনা থেকেই আজকের এই বীমা নামক পন্থার উদ্ভব হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের জীবন ও সহায়-সম্পদ ভবিষ্যতে কোন নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদের মধ্যে কোন বিপদ বা দুর্ঘটনার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হলে, যে পন্থায় কিছু বিনিময় মূল্য (Premium) গ্রহনের মাধ্যমে উক্ত বিপদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া বা সাহায্য সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা হয়, সেই পন্থাকেই বীমা (Insurance) বলা হয়।

👉মানুষের জীবন ও সহায় সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে বীমাই হল-এযাবৎ কালের পরীক্ষিত, প্রতিষ্ঠিত ও সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। এই পন্থা বা বীমার আওতায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। ইহার এক পক্ষ হল বীমাকারী বা বীমা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যপক্ষ হল বীমাগ্রহীতা।


আমাদের ফ্রি Training গুলো দেখতে যুক্ত হতে পারেন YouTube Or Facebook এ

YouTube: https://www.youtube.com/channel/UCI6gZhyuSM2PK5rdbahofuA Web/Blog Site Link : https://insuranceman01.blogspot.com/ Fb Page : https://www.facebook.com/profile.php?id=100086409855197

No comments

Powered by Blogger.