Header Ads

Header ADS

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত জরুরি দুদক

 

Timely Action by Insurance Development And Regulatory Authorities is Imperative




ব্যবস্থাপনা খাতে সাত বছরে ২৬৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা কর্পোরেশন।

২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এই অর্থ খরচের হিসাব উঠে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে। পলিসি গ্রাহক তৈরি বাবদ কমিশন, বেতন-ভাতা, অফিস ভাড়া, যাতায়াত ও প্রশাসনিক কাজে এই অর্থ খরচ করা হয়েছে বলে দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে

অতিরিক্ত এই ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের বিষয়ে একটি যৌক্তিক প্রতিবেদন চেয়ে তৃতীয়বারের মতো তাগিদ দিয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে (আইডিআরএ) চিঠি দিয়েছে দুদক। গত ৭ ডিসেম্বর দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এই চিঠি আইডিআরএ চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় আইডিআরএ’কে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে দুদকের পক্ষ থেকে।

এর আগে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি, ২০২২ সালের ২৭ জুলাই দুই দফায় এই প্রতিবেদন চেয়ে আইডিআরএ’কে চিঠি দেয় দুদক। তবে ওই সব চিঠিরও কোনো জবাব দেয়নি আইডিআরএ।

জীবন বীমা কর্পোরেশনের অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে দুদকের এ চিঠি সম্পর্কে জানতে চাইলে আইডিআরএ’র সদস্য (লাইফ) কামরুল হাসান ব্যাংক বীমা অর্থনীতিকে জানান, বিষয়টি এখনো তার দপ্তরে আসেনি। একই কথা জানান, আইডিআরএ’র নির্বাহী পরিচালক (লাইফ অনুবিভাগ) মো. হারুন-অর-রশিদ।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ জুন জীবন বীমা কর্পোরেশন ছাড়াও আরো ১৬ টি বেসরকারি বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় ও অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
তবে ওই ১৬ কোম্পানিকে কম খরচ করে পূণর্ভরণের শর্তে আইনসম্মতভাবেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে।

২০১৬ সালে ১৭ টি কোম্পানির বিরুদ্ধে ওই অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশে ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট বি এম ইউসুফ আলী বলেন, “অনুসন্ধানকালে অতিরিক্ত খরচের ব্যাপারে দুদক থেকে আইডিআরএ’র কাছে যৌক্তিক ব্যাখা চাওয়া হয়।

বেসরকারি ১৬ টি কোম্পানি তাদের অতিরিক্ত খরচের ব্যাপারে যৌক্তিক প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যস্থাপনা ব্যয়ের ব্যাপারে কোনো প্রবিধান ছিল না, পরবর্তীতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রবিধান হয়। আইডিআরএ তখন যথোপযুক্ত আইন ও বিধিসম্মতভাবে ১৬ টি কোম্পানির খরচের ব্যাপারে দুদকে প্রতিবেদন দেয়। একইসঙ্গে কোম্পানিগুলোকে খরচ কমিয়ে পূণর্ভরণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। তার আলোকে ওই সময় থেকে কোম্পানিগুলো খরচ কমাচ্ছে, এ কারণে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে কোনো আপত্তি নেই। তবে জীবন বীমা কর্পোরেশন সরকারি হওয়ার কারণে এবং তাদের বিধিবিধান ভিন্ন হওয়ার কারণে জীবন বীমার পক্ষ থেকে ওই সময়ে সম্ভবত কোনো যৌক্তিক প্রতিবেদন দেয়া হয়নি।”

সম্প্রতি আইডিআরএ’কে দেয়া চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি বেসরকারি ১৭ বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় দেখিয়ে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের অনুসন্ধান কার্য পরিচালনা করে দুদক। অনুসন্ধান কালে দেখা যায়, বেসরকারি জীবন বীমা কোম্পানির ন্যায় জীবন বীমা কর্পোরেশন ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ২৬৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করে। এই অতিরিক্ত ব্যয় ব্যবসা বৃদ্ধির প্রয়োজনে বীমা পলিসি গ্রাহক করার কমিশন, বেতন ভাতা, অফিস ভাড়া, যাতায়াত ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। দেখা যায়, ২০১০ সালে বীমা আইন করা হলেও অদ্যাবধি বীমা বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি।

বীমা বিধিমালা, ১৯৫৮ এর আলোকেই বর্তমানে জীবন বীমা কোম্পানিগুলো পরিচালিত হচ্ছে। ফলে প্রায় সব কয়টি জীবন বীমা কোম্পানিই তাদের ব্যবস্থাপনা ব্যয় বিদ্যমান নিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারছে না। তাই বীমা আইন, ২০১০ এর আলোকে নতুন বিধিমালা করার বিষয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত জরুরি। এছাড়া পলিসি হোল্ডারদের বৃহত্তর স্বার্থে বীমা আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের আরও সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন মর্মে কমিশন মনে করে। বর্ণিত প্রেক্ষপটে, জীবন বীমা কর্পোরেশনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের বিষয়ে আইডিআরএ’র নিকট হতে একটি যৌক্তিক প্রতিবেদন কমিশনে প্রেরণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকার স্মারক নং ০০.০১.০০০০.৫০২.০১.০৫১.১৬.৩৮২৫, তারিখ: ২৮/০১/২০২১ খ্রি. এবং স্মারক নং ০০.০১.০০০০.৫০২.০১.০৫১.১৬.২৭৬৮৮, তারিখ: ২৭/০৭/২০২২ খ্রি. মূলে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি এ বিষয়ে কোন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায়, কমিশন হতে ইতোপূর্বে প্রেরিত পত্রের আলোকে জীবন বীমা কর্পোরেশন কর্তৃক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের বিষয়ে একটি যৌক্তিক প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণের জন্য পুনরায় অনুরোধ করা হলো।’

ইন্স্যুরেন্স পেশায় TRAINING এর বিকল্প নেই । আমরা যারা বীমা পেশায় কাজ করি আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ টেনিং না থাকার কারণে বেশী ইন্স্যুরেন্স সেল করতে পারিনা। তাই Insurance Man আপনাদের জন্য নিয়ে এলো ফ্রি Online Training.

আমাদের ফ্রি Training গুলো দেখতে যুক্ত হতে পারেন YouTube Or Facebook এ


YouTube: https://www.youtube.com/@InsuranceMan/videos

Web/Blog Site Link : https://insuranceman01.blogspot.com/

Fb Page : https://www.facebook.com/profile.php?id=100086409855197

No comments

Powered by Blogger.