Header Ads

Header ADS

আমানত বীমা তহবিল ৬ বছরে দ্বিগুণ

 

Deposit Insurance Fund Doubled in 6 Years






কোনো ব্যাংক দেউলিয়া বা বন্ধ হলে আমানতকারীদের সুরক্ষায় গঠিত তহবিলের আকার দ্রুত বাড়ছে। এর নাম আমানত বীমা তহবিল। ২০২২ সালের জুন শেষে এ তহবিলের আকার দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। ছয় বছর আগের তুলনায় যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। এক যুগে বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। মূলত ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়ে যাওয়ায় প্রিমিয়াম আদায় বৃদ্ধি এবং বীমার অর্থ বিনিয়োগ থেকে বিপুল পরিমাণ আয়ের কারণে এ তহবিলের আকার বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি আমানত বীমা তহবিলের ২০২১-২২ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়ে আসছে। ১৯৮৪ সালে একজন আমানতকারীর সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার বিধান করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০০ সালে আমানত বীমা আইন প্রণয়ন করে এর পরিমাণ ১ লাখ টাকা করা হয়। সম্প্রতি সংশোধিত আইনে আরও বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিল ইতোমধ্যে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

আমানত বীমা আইন সংশোধন করে ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও সুরক্ষার আওতায় আনার প্রস্তাব করা রয়েছে। ১১ জুন এ সংক্রান্ত বিল জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরে পরীক্ষা করে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। এটি পাস হলে আমানতকারীদের সুরক্ষার আওতা বাড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত বছরের জুন শেষে আমানত বীমা তহবিলের মোট আকার দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। ২০২১ সালের জুন শেষে যা ছিল ১১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এর মানে এক বছরে তহবিলের আকার বেড়েছে ১ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা বা ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে ৮১৯ কোটি টাকা এসেছে তহবিলের অর্থ সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ থেকে। বাকি টাকা এসেছে ব্যাংকগুলোর দেওয়া প্রিমিয়াম থেকে। ২০২১-২২ অর্থবছরে তহবিল থেকে ১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এ খরচের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্সের সদস্য ফি বাবদ প্রায় ২৫ লাখ টাকা দিতে হয়েছে। প্রিমিয়াম বাবদ খরচ হয়েছে ১৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আর নিরীক্ষা ফি গেছে মাত্র ২০ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ কোটি টাকা। প্রত্যেক ব্যাংকের আমানতের বিপরীতে আমানত বীমা তহবিলের জন্য প্রতি ৬ মাস অন্তর প্রিমিয়াম কাটা হয়। এক সময় সব ব্যাংকে প্রতি ১০০ টাকা আমানতে ৭ পয়সা প্রিমিয়াম নেওয়া হতো। তবে ২০১৩ সাল ক্যামেলস রেটিংয়ের মানের সঙ্গে প্রিমিয়ামের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। সে আলোকে সবচেয়ে ভালো মানের ক্যামেলস রেটিংয়ের ব্যাংকের ১০০ টাকা আমানতে ৮ পয়সা প্রিমিয়াম নেওয়া হয়। আর্লি ওয়ার্নিং তথা মধ্যম মানের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের ১০০ টাকার বিপরীতে ৯ পয়সা এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের ১০০ টাকায় ১০ পয়সা হারে প্রিমিয়াম কাটা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা ইন্স্যুরেন্স ম্যানকে বলেন, বাংলাদেশে ব্যাংক বন্ধ হওয়ার নজির নেই। যে কোনোভাবেই হোক এখানে ব্যাংক বাঁচিয়ে রাখা হয়। যে কারণে তহবিলের আকার দ্রুত বাড়ছে। তিনি বলেন, কোনো কারণে ব্যাংক বন্ধ হলে এ তহবিল থেকে আমানতকারীরা একটি অংশ পাবেন। আর ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী অবসায়িত ব্যাংকের সম্পদ বিক্রি করে সব আমানতকারীর বাকি পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। সব শেষে টাকা পাবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ। কোনো ব্যাংক বন্ধ হওয়ার সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে আমানত বীমা তহবিল থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এ জন্য আমানতকারীকে ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়।

আমাদের ফ্রি Training গুলো দেখতে যুক্ত হতে পারেন YouTube Or Facebook এ

Web/Blog Site Link : https://insuranceman01.blogspot.com/
Fb Page https://www.facebook.com/profile.php?id=100086409855197
YouTube: https://www.youtube.com/channel/UCI6gZhyuSM2PK5rdbahofuA 


Thank You


No comments

Powered by Blogger.