বীমা আইন-২০১০ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ”অপরাধ ও দণ্ড” নিয়ে আলোচনা
Brief Discussion on “Crimes and Penalties” Under Insurance Act-2010
ধারাঃ ৪৬) বীমাকারীর সম্পদ সংরক্ষণের পদ্ধতি ৷
ধারা ২৩ অথবা ধারা ১১৯ এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত জামানত এবং তফসিলী ব্যাংকের কোন জিম্মায় রক্ষিত জমা ব্যতীত বীমাকারীর কোন সম্পদ কোন সংস্থার নামে এবং বীমাকারীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ব্যতীত অন্য কোন প্রকারে রাখা যাইবে না৷ এর বিধান লংঘন করিলে এইরূপ প্রতিটি লংঘনের জন্য তাহার অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থ দণ্ড হইবে।
ধারাঃ ৪৯) কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিদর্শন ও তথ্য চাহিবার ক্ষমতা, ইত্যাদি।
(১) কর্তৃপক্ষ, সময় সময়, যে কোন বীমাকারী বা উহার শাখা কার্যালয়ের বই, হিসাব এবং লেনদেনসমূহ পরিদর্শন করিতে পারিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিদর্শন কার্য সম্পাদনের জন্য বীমাকারী উহার বই, হিসাব এবং দলিলাদি পরিদর্শনকারীকে প্রদর্শন করিবে এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করিবে৷
(৩) কর্তৃপক্ষ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রয়োজন মনে করিলে, লিখিত নোটিশ দ্বারা বীমাকারীর কোন পরিচালক বা কর্মকর্তা বা প্রতিনিধিকে ঐ বীমাকারীর বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এবং প্রয়োজনে, লিখিত নোটিশ দ্বারা নোটিশে উল্লিখিত নির্ধারিত স্থানে ও সময়ে-
(ক) যে কোন তথ্য প্রদান করিতে , বা
(খ) তাহার সম্মূখে উপস্থিত হইতে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে৷
(৪) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিদর্শন পরিচালনায় অসম্মতি জ্ঞাপন করিলে বা উপ-ধারা (২) এর কোন বিধান লংঘন করিলে বা উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্তৃপক্ষের কোন আবশ্যকতা পূরণে ব্যর্থ হইলে উহার জন্য অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধী সাব্যস্ত হইলে ৫ (পাঁচ ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে এবং উক্ত অপরাধ সংঘটন চলমান থাকিলে উহার প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ৫ (পাঁচ ) হাজার টাকা করিয়া অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷
ধারাঃ ৫৯) কমিশন ব্যয়ের সীমা৷
(১) কোন ব্যক্তি কোন বীমা এজেন্টকে বাংলাদেশে ইন্স্যুকৃত তাহার মাধ্যমে কার্যকর কোন লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শতকরা হারের অধিক কমিশন বা অন্য কোন পারিশ্রমিক বাবদ অর্থ প্রদান বা অর্থ পরিশোধের চুক্তি করিবে না এবং কোন বীমা এজেন্ট অনুরূপ অর্থ গ্রহণ বা অর্থ গ্রহণের চুক্তি করিবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এই শতকরা হার ধারা ৫৮ এর উপ-ধারা (৩) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত হারের অধিক হইবে না৷
(২) কোন ব্যক্তি কোন বীমা এজেন্টকে বাংলাদেশে এবং ইস্যুকৃত এজেন্ট নিয়োগকারীর মাধ্যমে কার্যকর কোন লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শতকরা হারের অধিক কমিশন বা অন্য কোন প্রকার পারিশ্রমিক বাবদ অর্থ পরিশোধ বা অর্থ পরিশোধের চুক্তি করিবে না এবং কোন বীমা এজেন্ট নিয়োগকারী ও অনুরূপ অর্থ গ্রহণ বা অর্থ গ্রহণের চুক্তি করিবে না৷
(৩) কোন ব্যক্তি কোন বীমা এজেন্টকে বাংলাদেশে ইস্যুকৃত তাহার মাধ্যমে কার্যকর কোন নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শতকরা হারের অধিক কমিশন বা অন্য কোন প্রকার পারিশ্রমিক বাবদ অর্থ পরিশোধ বা পরিশোধের চুক্তি করিবে না ৷
(৪) কোন ব্যক্তি কোন ব্রোকারকে বীমাকারী কর্তৃক বাংলাদেশে ইস্যুকৃত এবং তাহার মাধ্যমে কার্যকর কোন নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শতকরা হারের অধিক কমিশন, ওভার রাইডিং কমিশন, বা অন্য কোন প্রকার পারিশ্রমিক বাবদ অর্থ পরিশোধ বা পরিশোধ করার চুক্তি করিবে না ৷
(৫) কোন বীমাকারী বাংলাদেশে বীমা ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোন ব্যক্তিকে কোন প্রকারের কমিশন বাবদ বাংলাদেশের বাহিরে অর্থ প্রদান বা প্রদান করার চুক্তি করিবে না ৷
(৬) কোন বীমাকারী, বীমা এজেন্ট, এজেন্ট নিয়োগকারী ও ব্রোকার উপ-ধারা (১), (২), (৩), (৪) এবং (৫) এর কোন বিধান লংঘন করিলে উক্তরূপ লংঘনের জন্য লংঘনকারীকে অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা জরিমানা করা যাইবে৷
(৭) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধীকৃত কোন বীমাকারী উহার বাংলাদেশে পরিচালিত এবং বাংলাদেশের বাহিরে পুনঃবীমা ব্যবসার জন্য কোন কমিশন গ্রহণ বা গ্রহণ করার চুক্তি করিলে তাহা উপ-ধারা (৫) এর লংঘন বলিয়া গণ্য হইবে না, যদি বাংলাদেশের বাহিরে গৃহীত সমুদয় অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পদ্ধতিতে জমা করা হয়।
ধারাঃ ৬০) রয়োত প্রদানে বধিনিষেধ।(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে জীবন অথবা সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন প্রকারের ঝুঁকির ব্যাপারে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কোন ব্যক্তিকে কোন বীমা গ্রহণ, নবায়ন অথবা অব্যাহত রাখিবার জন্য উৎসাহিত করিতে কমিশন অথবা তাহার অংশ বিশেষের অথবা পলিসিতে প্রদর্শিত প্রিমিয়ামের কোন রেয়াত প্রদান করিবে না বা প্রদানের প্রস্তাব করিবে না অথবা গ্রাহক বা যে ব্যক্তি পলিসি গ্রহণ, নবায়ন বা সচল রাখিবেন তিনি বীমাকারী কর্তৃক প্রকাশিত নির্দেশিকা কিংবা তালিকা অনুসারে স্বীকৃত রেয়াত ভিন্ন অন্য কোন রেয়াত গ্রহণ করিতে পারিবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন বীমা এজেন্ট যদি তাহার নিজ জীবনের উপর নিজে লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসি গ্রহণ করেন তবে এই সংক্রান্ত কমিশন গৃহীত হইলে তাহা এই উপ-ধারার অর্থানুযায়ী প্রিমিয়ামের রেয়াত গ্রহণ হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি উক্ত কমিশন গ্রহণকালে বীমা এজেন্ট নির্ধারিত সকল শর্তাবলী পূরণ করিয়া নিজেকে বীমাকারী কর্তৃক নিযুক্ত একজন প্রকৃত বীমা এজেন্ট হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করিতে পারেন৷
(২) কোন ব্যক্তি এই ধারার বিধানসমূহ লংঘন করিলে তাহাকে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ জরিমানা করা যাইবে৷
ধারাঃ ৭২) বিলম্বে দাবী পরিশোধের সুদ৷
(১) বীমাকারী কর্তৃক ইস্যুকৃত পলিসির অধীন অর্থ প্রদেয় হয় এবং দাবী প্রদানের জন্য সমস্ত কাগজপত্র দাবীদার কর্তৃক দাখিল করা হইয়াছে এইরূপ ক্ষেত্রে বীমাকারী যদি দাবী পরিশোধের প্রাপ্য হওয়া বা দাবীদার কর্তৃক সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা পূরণের, যাহা পরে সংঘটিত হয়, ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে দাবী পরিশোধে ব্যর্থ হয় তাহা হইলে উপ-ধারা (২) এ নির্ধারিত সুদ পরিশোধ করিবে, যদি না বীমাকারী এইরূপ ব্যর্থতা তাহার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত ছিল বলিয়া প্রমাণ করিতে পারে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন সুদ ব্যর্থতাজনিত চলমান সময়ের জন্য পরিশোধযোগ্য হইবে এবং প্রচলিত ব্যাংক রেটের অতিরিক্ত শতকরা ৫ (পাঁচ) ভাগ হারে মাসিক ভিত্তিতে হিসাব করিতে হইবে৷
ধারাঃ ১০১) দলিলাদি বা সম্পত্তি প্রশাসকের অগোচরে রাখার শাস্তি।
যদি বীমাকারীর কোন পরিচালক কিংবা কর্মকর্তা অথবা অন্য কোন ব্যক্তি বীমাকারীর ব্যবসা সম্পর্কিত তাহার হেফাজতে থাকা কোন হিসাবের বই, নিবন্ধন বই কিংবা অন্য কোন দলিল প্রশাসকের চাহিদা অনুসারে তাহার কর্তৃত্বে প্রদান করিতে অপারগ বা ব্যর্থ হন কিংবা এইরূপ বীমাকারীর কোন সম্পত্তি দখলে রাখেন তাহা হইলে তিনি সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত কারাবাস কিংবা ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷
ধারাঃ ১৩০। এই আইন পরিপালনে ব্যর্থতা কিংবা লংঘনজনিত কর্মকাণ্ডের জন্য জরিমানা আরোপ।
যদি কোন ব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধানের অধীন।
(ক) কর্তৃপক্ষের নিকট বিবরণী, হিসাব, রিটার্ন বা প্রতিবেদন দাখিল করিতে ব্যর্থ হন ;
(খ) নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হন ;
(গ) সলভেন্সি মার্জিন সংরক্ষণ করিতে ব্যর্থ হন;
(ঘ) বীমা চুক্তি পরিপালনের নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হন ; বা
(ঙ) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনঃবীমা চুক্তি পরিপালনের নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হন,
তাহা হইলে প্রতিটি ব্যর্থতার জন্য তাহাকে অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা জরিমানা করা যাইবে এবং এই লংঘন অব্যাহত থাকিলে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা জরিমানা করা যাইবে।
ধারাঃ ১৩১। দলিল, বিবরণী, হিসাব, রিটার্ন ইত্যাদিতে মিথ্যা তথ্য প্রদানের শাস্তি।
যদি কোন ব্যক্তি এইরূপ বক্তব্য প্রদান করেন বা এমন কোন দলিল, বিবরণী, হিসাব, রিটার্ন বা প্রতিবেদন দাখিল করেন যাহা মিথ্যা এবং মিথ্যা বলিয়া তিনি মনে করেন বা বিশ্বাস করেন বা সত্য বলিয়া মনে করেন না, তবে তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদ-ে দ-িত হইবেন অথবা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদ- বা উভয় দ-ে দ-িত হইবেন।
১৩২। কতিপয় ধারা লংঘনপূর্বক বীমা ব্যবসা পরিচালনার দণ্ড।
ধারাঃ ৮) নিবন্ধন সনদ, ইত্যাদি ।
ধারাঃ ২৩) জামানত (Deposit)৷
ধারাঃ ৪১)সম্পদ বিনিয়োগ৷,
ধারাঃ ৪৩) সলভেন্সি মার্জিন বিষয়ে পূরণীয় শর্তাবলী৷ ,
ধারাঃ ৪৬) বীমাকারীর সম্পদ সংরক্ষণের পদ্ধতি ৷
ধারাঃ ১১৯) মিউচ্যুয়াল বীমা কোম্পানী এবং সমবায় বীমা সমিতি কর্তৃক রক্ষিতব্য জামানত৷ এর বিধান লংঘন করিলে এইরূপ প্রতিটি লংঘনের জন্য তাহার অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থ দণ্ড হইবে।
ধারাঃ ১৩৩। বীমাচুক্তি সম্পাদনে প্রলুব্ধ করার জন্য বিভ্রান্তিকর বিবরণী, আশ্বাস বা পূর্বাভাস।
কোন ব্যক্তি বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা বা প্রতারণামূলক বলিয়া জানেন, এইরূপ বিবরণী, আশ্বাস, পূর্বাভাস দ্বারা, বা প্রতারণামূলক বলিয়া জানেন, বা প্রতারণামূলক পূর্বাভাষ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন বীমাকারীর সহিত বীমা চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাবে প্রলুদ্ধ করার চেষ্টা করিলে তিনি এই অপরাধে অভিযুক্ত হইবেন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হইলে অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থ দণ্ড বা অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷
ধারাঃ ১৩৪। আইনের বিধান পালনে ব্যর্থতা কিংবা লংঘনজনিত কর্মকান্ডের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জরিমানা।
এই আইনে অন্যরূপ কোন বিধান না থাকিলে কোন বীমাকারীর কোন পরিচালক, শেয়ার হোল্ডার, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক বা অন্য কর্মকর্তা বা ব্রোকার বা অংশীদার, জরিপকারী বা উহার অন্য কোন কর্মকর্তা বা এজেন্ট বা বীমা এজেন্ট নিয়োগকারী এই আইনের কোন বিধান পালনে ব্যর্থ হইলে বা উক্ত বিধান লংঘন করিলে এবং কেহ জ্ঞাতসারে এই লংঘনের সহিত সংশ্লিষ্ট থাকিলে, তাহাকে সর্বোচ্চ ১ (এক) লক্ষ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা এবং লংঘন অব্যাহত থাকিলে লংঘনজনিত সময়ের প্রতিদিনের জন্য অনধিক ৫ (পাচ) হাজার টাকা অতিরিক্ত অর্থ জরিমানা করা যাইবে৷
ধারাঃ ১৩৫। অবৈধভাবে সম্পত্তি অর্জন ও ধারণ।
(১) যদি বীমাকারীর কোন পরিচালক বা অন্য কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী বীমাকারীর কোন সম্পত্তি অন্যায়ভাবে অর্জন বা ইচ্ছাকৃতভাবে দখলে রাখেন কিংবা এই আইনে বর্ণিত বা অনুমোদিত উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন তবে বীমাকারীর বা কোন সদস্য বা বীমা পলিসি গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে বীমাকারীকে তাহার মনোভাব সম্পর্কে কমপক্ষে ১৫ (পনের) দিনের নোটিশ প্রদান পূর্বক তাহাকে ১৫ (পনের) লক্ষ টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাইবে এবং বিচারিক আদালত তাহার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অন্যায়ভাবে অর্জিত বা অন্যায়ভাবে দখলকৃত বা ইচ্ছাকৃত অপব্যবহারকৃত এইরূপ সম্পত্তি ফেরত প্রদান করিতে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং অনাদায়ে অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড প্রদান করিবেন৷
(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে বীমাকারী কর্তৃক রক্ষিত বিধিবদ্ধ লাইফ ইন্স্যুরেন্স তহবিলের সম্পদ সংশ্লিষ্ট বীমাকারীর সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে৷
আমাদের ফ্রি Training গুলো দেখতে যুক্ত হতে পারেন YouTube Or Facebook এ Web/Blog Site Link : https://insuranceman01.blogspot.com/ Fb Page : https://www.facebook.com/profile.php?id=100086409855197 YouTube: https://www.youtube.com/channel/UCI6gZhyuSM2PK5rdbahofuA

No comments